ইএসডিও ডিজিটাল লিটারেসী ও ট্রান্সফরমেশনাল লিডারশীপ প্রশিক্ষন সমাপ্ত।
ইএসডিও প্রধান কার্যালয়ে সমাপ্ত হলো ইএসডিও শাখা ব্যবস্থাপকদের নিয়ে আধুনিক সময়োপযোগী ও প্রযুক্তি সক্ষমতাবৃদ্ধি বিষয়ে ডিজিটাল লিটারেসী ও ট্রান্সফরমেশনাল লিডারশীপ প্রশিক্ষণ।
গতকাল ইএসডিও প্রধান কার্যালয়ের সেমিনার হলরুমে প্রশিক্ষণ টি সমাপ্ত হয়েছে।প্রশিক্ষনে ঠাকুরগাঁও এমএফ রিজিওনের ২৮ জন শাখা ব্যবস্থাপক এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। প্রশিক্ষণের শুভ উদ্ধোধন করেন ইএসডিও র সম্মানিত নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান স্যার, ২ দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষনে এ আই, ডিজিটাল অফিস ওয়ার্ক মেইনটেনস্ ও আপডেট প্রযুক্তির ব্যবহার সহ অংশগ্রহনকারীদের প্রযুক্তি সক্ষমতার বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখার জন্য এই প্রশিক্ষনের আয়োজন করা হয়েছে, প্রশিক্ষনের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন ইএসডিও হেড ও ফাইন্যান্স জনাব মোঃ সৈয়দ আলী। তিনি বলেন এই প্রশিক্ষন আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশী সচ্ছতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ভুমিকা রাখবে।
admin
We were pleased to participate in the official launch of the Bangla Edition of the Sphere Handbook 2018, marking an important milestone for Bangladesh’s humanitarian sector. The Sphere Handbook is one of the world’s most widely recognised references for quality and accountable humanitarian action. It provides internationally accepted guidance across key sectors, including Water, Sanitation and Hygiene (WASH), Food Security and Nutrition, Shelter and Settlements, and Health. The publication of the Bangla edition is a significant step towards making these global humanitarian standards more accessible to frontline responders. It will help strengthen locally led humanitarian action and promote more effective, accountable, and dignified humanitarian responses across Bangladesh.
As a member of the CHS Alliance, Eco-Social Development Organization (ESDO) was proud to contribute to the discussions and share its technical expertise throughout the process. We are also pleased that Md. Mosheur Rahman successfully completed the Training of Trainers programme and is now well positioned to disseminate the knowledge and promote the application of the Sphere standards among a wider audience. This achievement reflects the collective commitment of the Government of Bangladesh, UN agencies, national and international NGOs, humanitarian clusters, technical experts, and development partners. Their collaboration demonstrates the importance of working together to advance high-quality, accountable, and people-centred humanitarian action.
ইকো পাঠশালা ও কলেজ প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য ও গৌরবোজ্জ্বল অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত বি.এড., বি.পি.এড., বিবিএ এবং সিএসই (প্রফেশনাল ও অনার্স) কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং ডিজিটাল স্মার্ট ক্লাসরুমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়
ইকো কলেজে নতুন শিক্ষাযাত্রার শুভ সূচনা
২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে ইকো পাঠশালা ও কলেজ প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য ও গৌরবোজ্জ্বল অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত বি.এড., বি.পি.এড., বিবিএ এবং সিএসই (প্রফেশনাল ও অনার্স) কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং ডিজিটাল স্মার্ট ক্লাসরুমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ মহোদয়। তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি বিএনসিসি দল আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার প্রদান করে।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে মাননীয় উপাচার্য কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন, বি.এড. ও বি.পি.এড. শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষের চারা বিতরণ করেন এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল স্মার্ট ক্লাসরুমের উদ্বোধন করেন।
পরবর্তীতে জয়নাল আবেদীন মিলনায়তনে আয়োজিত উদ্বোধনী পর্বে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত বি.এড., বি.পি.এড., বিবিএ এবং সিএসই (প্রফেশনাল ও অনার্স) কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে ইকো পাঠশালা ও কলেজের অধ্যক্ষ ড. সেলিমা আখতার ম্যাডাম স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং কলেজের প্রতিনিধি “ইকো কলেজ: অর্জন, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ” শীর্ষক পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা উপস্থাপন করেন। এছাড়া ইকো কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও ইএসডিও’র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান স্যার ভবিষ্যৎ উদ্ভাবনী কোর্স, শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং আধুনিক শিক্ষা পরিকল্পনা নিয়ে তাঁর দূরদর্শী বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইস্রাফিল শাহীন মহোদয়; বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর পরিচালক ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি জনাব মির্জা ফয়সাল আমিন মহোদয়, এবং ইকো কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও ইএসডিও’র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান স্যার।
অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ মহোদয় উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পরবর্তীতে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
উদ্দীপনামুখর, অংশগ্রহণমূলক ও পেশাদারিত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন ইকো পাঠশালা ও কলেজের অধ্যক্ষ ড. সেলিমা আখতার ম্যাডাম।
দিনব্যাপী এই ঐতিহাসিক আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।
ঠাকুরগাঁও জেলা ভলিবল টুর্নামেন্ট–২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
আজ, ২৪ জুলাই ২০২৬, ইএসডিও মাইক্রোফাইন্যান্স প্রোগ্রামের ব্রাঞ্চ ম্যানেজারদের জন্য “ডিজিটাল লিটারেসি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেটিভ” বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ একযোগে শুরু হয়েছে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে ইকো ট্রেনিং অ্যান্ড রিসোর্ট সেন্টার, ঠাকুরগাঁও; ইকো মহানন্দা কটেজ, তেতুলিয়া; সিলভার জুবিলী ভবন, রংপুর; এবং জলেশ্বরীর প্রাঙ্গণ, কুড়িগ্রামে।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন ইএসডিও’র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান।
প্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তনশীল বিশ্বে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে ডিজিটাল লিটারেসি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence–AI) এবং ট্রান্সফরমেটিভ লিডারশিপ-এর ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এসব বিষয় ব্রাঞ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, তথ্যভিত্তিক, উদ্ভাবনী এবং প্রযুক্তি-সক্ষম করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ইএসডিও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ডিজিটাল সক্ষমতা, দক্ষ মানবসম্পদ এবং দূরদর্শী নেতৃত্বই একটি টেকসই ও আধুনিক প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি কর্মীদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং নেতৃত্ব বিকাশে ধারাবাহিকভাবে মানসম্মত ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের আয়োজন করে যাচ্ছে।
একটি ছবি, এক অনুপ্রেরণার গল্প… আজ ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুলের একদল শিক্ষার্থী লোকায়ন জীবন বৈচিত্র যাদুঘর পরিদর্শনে আসে
আজ ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুলের একদল শিক্ষার্থী লোকায়ন জীবন বৈচিত্র যাদুঘর পরিদর্শনে আসে। একই সময়ে ইএসডিও’র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান স্যার একজন আর্কিটেক্টকে সঙ্গে নিয়ে যাদুঘরের বিভিন্ন প্রদর্শনী পরিদর্শন করছিলেন।
হঠাৎ করেই উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসে বিনয়ের সঙ্গে বলল, “স্যার, আমরা আপনার সঙ্গে একটি ছবি তুলতে চাই।” স্যারও আন্তরিক হাসিমুখে তাদের সেই অনুরোধ সাদরে গ্রহণ করেন এবং সবার সঙ্গে স্মৃতিবন্দী হন।
ছবি তোলার পর শিক্ষার্থীদের আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও অনুভূতি ছিল সত্যিই হৃদয়স্পর্শী। তাদের কাছে এটি ছিল শুধু একটি ছবি নয়—একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, শিক্ষানুরাগী ও সমাজ পরিবর্তনের অগ্রদূতের সঙ্গে কাটানো একটি স্মরণীয় মুহূর্ত। এমন একটি অভিজ্ঞতা তাদের মনে দীর্ঘদিন অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত করবে—এটাই আমাদের বিশ্বাস।
the United Nations Economic and Social Council (ECOSOC) has granted Special Consultative Status to Eco-Social Development Organization (ESDO)
A proud and historic milestone for ESDO.
We are delighted to announce that the United Nations Economic and Social Council (ECOSOC) has granted Special Consultative Status to Eco-Social Development Organization (ESDO).
This recognition reflects ESDO’s long-standing commitment to socio-economic development, human dignity, community empowerment, and sustainable progress.
The status provides opportunities to engage with ECOSOC and other United Nations platforms by contributing expertise, sharing field experiences, and participating in global discussions on development issues.
We express our sincere gratitude to our founders, staff, partners, donors, volunteers, supporters, and the communities we serve. This achievement belongs to all of you.
Together, we will continue working towards a more inclusive, equitable, and prosperous future.
Muslim Aid and ESDO Host National Learning-Sharing Workshop to Advance Inclusive and Equitable Education
On 22 July 2026, the Eco-Social Development Organization (ESDO), with financial support from Muslim Aid UK Bangladesh Field Office (MABFO), successfully organized a National Learning-Sharing Workshop at The Daily Star Centre, Dhaka, marking the successful completion of the five-year “Community Support for Inclusive and Equitable Education across 25 Schools in Kurigram District (CBM Project).”
The workshop brought together senior government officials, development partners, education professionals, NGOs, teachers, students, parents, and media representatives to reflect on the project’s achievements, lessons learned, best practices, and future priorities for advancing inclusive education in Bangladesh.
The event was honored by Dr. Mir Zahida Naznin, Director (Planning and Development), Directorate of Secondary and Higher Education (DSHE), as the Chief Guest. Mr. Md. Farhad Alam, Director, Directorate of Primary Education (DPE), and Mr. Mohsin Siddiqui, Country Director, Muslim Aid UK Bangladesh Field Office (MABFO), attended as Special Guests. The session was chaired by Dr. Md. Shahid Uz Zaman, Founder and Executive Director of ESDO.
Implemented from 1 July 2021 to 31 July 2026, the project has transformed learning opportunities for disadvantaged, marginalized, and children with disabilities across 17 secondary schools and 8 primary schools in Kurigram District. Key interventions included inclusive school infrastructure, girl-friendly and disability-inclusive WASH facilities, teacher capacity development, student leadership, Menstrual Hygiene Management (MHM), Disaster Risk Reduction (DRR), safeguarding, environmental initiatives, and community engagement.
The workshop highlighted significant achievements, including improved student attendance, reduced dropout rates, enhanced learning environments, and increased participation of children with disabilities and other vulnerable learners. Participants emphasized the need for stronger collaboration among the Government, development partners, educational institutions, and local communities to further strengthen inclusive and equitable education across the country.
The recommendations generated during the workshop are expected to contribute to evidence-based policymaking, strengthen future education initiatives, and support the nationwide expansion of inclusive education in Bangladesh.
Together, we can build an education system where every child—regardless of ability or background—has the opportunity to learn, thrive, and succeed.
গতকাল ২১ জুলাই পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে ইএসডিও’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)-এর নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়
গতকাল ২১ জুলাই পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে ইএসডিও’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)-এর নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর প্রসার, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পলিথিনমুক্ত বাংলাদেশ গঠন এবং COP-31-এর প্রস্তুতি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন: শেখ ফরিদুল ইসলাম, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, মো. আলমগীর হুসাইন, মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (সিনিয়র সহকারী সচিব), ড. ফাহমিদা খানম, ভারপ্রাপ্ত সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
এছাড়াও ইএসডিও-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন: ড. ফজলে রাব্বি সাদিক, সিনিয়র অ্যাডভাইজার, মো. মশিউর রহমান, হেড অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাকশন
পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন এবং একটি সবুজ, টেকসই ও পলিথিনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদার এর লক্ষ্যে ইএসডিও এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করার
জন্য একমত হয়।
যুবদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে চাকুরিদাতা প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান
ঢাকা শহরে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি বিষয়ক “বাংলাদেশে যুব কর্মসংস্থানের উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের কর্মদক্ষতা ও প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বৃদ্ধি করে ২১শ শতকের চাকরির বাজারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা (লিফট)” প্রকল্পের মাধ্যমে এডুকো বাংলাদেশ চাইল্ড ফান্ড কোরিয়া (CFK) এর অর্থায়নে এবং ইএসডিও-র সহযোগিতায় নাভানা সিএনজি, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, বাঁধন গ্রুপ, সিকাল্ব রিসোর্ট ও কনভেনশন হল, ভাওয়াল রিসোর্ট এবং আজিজ এয়ার সার্ভিসেস এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ১৯ মে সোমবার ফোর-সিজন্স রেস্টুরেন্টে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো সুবিধাবঞ্চিত ৩০০ জন যুব’র (১৬-২২ বছর বয়সী) কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের জন্য ২১ শতকের চাহিদা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। উক্ত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে যুবদের আধুনিক চাকরির বাজারে উপযোগী করে তুলতে বিভিন্ন ট্রেডে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এর আয়োজন করা হয়। উল্লেখিত চাকুরিদাতা প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে সমঝোতার ফলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াটি আরও সুদৃঢ় এবং কার্যকর হয়েছে। এ সময় উপস্থিত অভিভাবকরা বলেন, এই প্রকল্পটি ঢাকার যুব সমাজের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা প্রসারিত করছে এবং তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আফজাল কবির খান, ম্যানেজার, চাইল্ড লেবার এলিমিনেশন, এডুকো বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে চাকুরিদাতা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সুজুকি মটরস, টিভিএস মটরস, ফেয়ার গ্রুপ এবং লিফট প্রকল্পের সাথে চুক্তিবদ্ধ পাঁচটি টিভিইটি ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিরা। প্রকল্পটির কার্যক্রম ও গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন ফারুক হোসেন, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর, ইএসডিও। এছাড়াও ইএসডিও-এর টিভিইটি বিভাগের প্রধান শাহরিয়ার মাহমুদ টিভিইটি এর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, এই উদ্যোগটি দেশের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, প্রশিক্ষণার্থী ও তাদের অভিভাবক, মিডিয়া প্রতিনিধিবৃন্দ, এডুকো এবং ইএসডিও-এর কর্মকর্তাবৃন্দ।
আফজাল কবির খান বলেন, “লিফট একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ, যার মাধ্যমে নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের ৬ মাস কারিগরি এবং সফট স্কিল প্রশিক্ষণ প্রদান করে শোভন কাজের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়। এরই অংশ হিসেবে আমরা চাকুরিদাতা প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করলাম। এই সহযোগিতা তাদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই যৌথ উদ্যোগটি শুধুমাত্র তাদের জীবিকা উন্নত করবে না, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নেও অবদান রাখছে।”
অনুষ্ঠানে চাকুরিদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বলেন – ২১ শতকের চাকরির বাজার অনুযায়ী যুবরা বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষিত হয়েছে, যার ফলে বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে। এরূপ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও চলমান রাখার ক্ষেত্রে বক্তারা এডুকোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
তাদের প্রত্যাশা, লিফট প্রকল্পের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত যুবরা তাদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শোভন কাজের সাথে সম্পৃক্ত হতে পারবে, যা স্থানীয় অর্থনীতি এবং দীর্ঘমেয়াদী টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
