নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫–২০২৬ ফুটবল বালিকা জাতীয় বাছাই পর্বে গত ২৭ জুলাই রাজশাহী বিভাগকে ৪–০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রংপুর বিভাগ।
এই ঐতিহাসিক সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন ইএসডিও ম্যাজিকবাস সিটুএল (CTUL) প্রকল্পের তিন প্রতিভাবান শিক্ষার্থী-খেলোয়াড়—শিমু, সানজিদা ও দীপিকা রূপবান। দলের হয়ে তারা অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। দীপিকা রূপবান (জার্সি নং–১৫) রক্ষণভাগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একইভাবে শিমু (জার্সি নং–১২) ও সানজিদা (জার্সি নং–১২) তাদের দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও দলীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে দলের সাফল্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
তাদের এই গৌরবময় অর্জনে ইএসডিও পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫–২০২৬ ফুটবল বালিকা জাতীয় বাছাই পর্বে রংপুর বিভাগের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরবময় সাফল্যে ইএসডিও ম্যাজিকবাস সিটুএল প্রকল্পের তিন খেলোয়াড়ের অসাধারণ অবদান
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ হলেও এর সাসটেইনেবিলিটি আজও দৃশ্যমান। প্রকল্পের মাধ্যমে গড়ে ওঠা ছেলে-মেয়েরা জেলা, বিভাগীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে ধারাবাহিকভাবে সুনাম অর্জন করছে। এটি প্রমাণ করে যে, একটি কার্যকর উন্নয়ন প্রকল্পের ইতিবাচক প্রভাব প্রকল্প-পরবর্তী সময়েও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
২০২২–২৩ সালে বাস্তবায়িত ইএসডিও ম্যাজিকবাস সিটুএল–ফিফা প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত ফুটবল কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খেলা দেখে তৎকালীন আটোয়ারী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অত্যন্ত অনুপ্রাণিত হন। তিনি প্রকল্প ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে ১০০ জন মেধাবী খেলোয়াড়ের তালিকা সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে এই উদ্যোগের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আটোয়ারী উপজেলায় একটি ক্রীড়া একাডেমি প্রতিষ্ঠারের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এর ফলে ম্যাজিকবাস প্রকল্পভুক্ত ১০টি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০ জন খেলোয়াড় সেখানে নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ পায়।
এই ক্রীড়া একাডেমির মাধ্যমে প্রকল্প-পরবর্তী সময়েও খেলোয়াড়রা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে জেলা, বিভাগীয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে এবং নিজেদের প্রতিভা বিকাশের পথ সুগম করছে।
ইএসডিও বিশ্বাস করে, এই অর্জন শুধু তিনজন খেলোয়াড়ের নয়; এটি একটি টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগের সফলতার প্রতিফলন। ভবিষ্যতে তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের জন্য আরও সাফল্য বয়ে আনবে—এই প্রত্যাশা ও শুভকামনা রইল।
অভিনন্দন শিমু, সানজিদা ও দীপিকা রূপবান। অভিনন্দন রংপুর বিভাগ।
